Breaking News :
পরীক্ষার্থীদের নিকট ভোগান্তি ও হয়রানির আরেক নাম মহিলা কলেজ
- নিজস্ব প্রতিবেদক
- 11 Oct, 2026
অনার্স (স্নাতক), এইচএসসি সহ বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে নোয়াখালী সরকারি কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যায়। নোয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়া এসব পরীক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি করতে দেখা গেছে অনেক ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীকে।
জানা গেছে, পরীক্ষা শুরুর ২০/২৫ মিনিট আগ পর্যন্ত গেইট বন্ধ রেখে পরীক্ষার্থীদেরকে রোদ-বৃষ্টিতে বাহিরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এবং পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ করার সময় নিজেদের কলেজের শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হয়। ফলে তারাও একইসাথে বের হওয়ার কারণে পরীক্ষার্থীদেরকে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। বিশেষ করে প্রথম পরীক্ষার দিন নিজের আসন খুঁজে পেতে অনেক পরীক্ষার্থীকে বেগ পোহাতে হয়। এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত ভবনে পরীক্ষা নেওয়া, পরীক্ষার কক্ষ গুলোতে পর্যাপ্ত লাইট-ফ্যান না থাকা, দেওয়াল ঘড়ি ও পানি ফিল্টার না থাকা, আলো-বাতাস স্বল্পতা এবং প্রয়োজনের তুলনায় ছোট ও ভাঙাচোরা টেবিল বেঞ্চে বসার ব্যবস্থা করার কারণে পরীক্ষার্থীদেরকে ভোগান্তি পোহাতে হয়। কলেজটি মহিলা কলেজ হওয়ার কারণে কেন্দ্রটির সবগুলো বাথরুম ও ওয়াশরুম ফিমেল বাথরুম। এতে পরীক্ষা দিতে আসা পুরুষ ও নারী শিক্ষার্থীরা একই বাথরুম ব্যবহার করতে গিয়ে চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। আবার দেখা যায় যে, বেশিরভাগ বাথরুম খুবই নোংরা ও অপরিষ্কার, অপরিচ্ছন্ন। যা ব্যবহারের অনুপযোগী। তাছাড়া পরীক্ষার হলে কর্তব্যরত পর্যবেক্ষক শিক্ষকদের অসহযোগিতামূলক আচরণ এবং পরীক্ষার্থীদের ছোটখাটো নিয়ম লঙ্ঘন বা ভুলের জন্য অপরাধের তুলনায় অতিরিক্ত শাস্তি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
সম্প্রতি নোয়াখালী সরকারি কলেজের এক পরীক্ষার্থী তার তিক্ত অভিজ্ঞতা তুলে এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, "মহিলা কলেজে আমরা যারা অর্নাস ২য় বর্ষে পরীক্ষা দিচ্ছি। তাদের ওখানে সিট পড়াটা মনে হয় পাপ হয়েছে। ওনারা কলেজ ছুটি দেয় মনে হয় ১২:৩০। আজকে আমাদের গেটের বাইরে দাঁড়াই থাকতে হয়েছে ১২:৪০ পযর্ন্ত। যেখানে আমাদের পরীক্ষা শুরু হয় ১ টা থেকে। এই প্রচন্ড গরমে তারা গেট আটকাই রাখে যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের স্টুডেন্ট বাইর না হবে। এই কেমন ব্যবস্হা? এই অসহ্য গরমে যারা অনেক দূরে থেকে আসে তাদের কি অবস্থা হয় ওনারা তা চিন্তা করে না। এরপর দারোয়ান গুলোর ব্যবহার এতো খারাপ। কিছু বলার নাই প্রতিদিন একই অবস্থা। এটার কি কোনো ব্যবস্থা করা যায় না? সবাই একটু জানাবেন।
আমার কোনো ভুল হলে ক্ষমা করবেন"
Leave a Reply
Your email address will not be published. Required fields are marked *






